অগ্রযাত্রার খুশিতে বাংলাদেশের প্রযুক্তি খাতে আগ্রহী যুক্তরাষ্ট্র

২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ ০১:৫২  

ডিজিটাল বাংলাদেশর অগ্রযাত্রা নিয়ে খুশি যুক্তরাষ্ট্র। সেই খুশি থেকে দ্বাদশ সংসদ নির্বাচন শেষে প্রথমবারের মতো এই খাতের চারটি দিক নিয়ে বৈঠক করেছে সফররত মার্কিন প্রতিনিধি দল। রোববার (২৫ ডিসেম্বর) রাতে রাজধানীর গুলশানে প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান এফ এমপির বাসভবনে অনুষ্ঠিত বৈঠকে অংশ নেন মার্কিন রাষ্ট্রপতির বিশেষ সহকারী ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলর (এনএসসি) ডিরেক্টর এলিন লাউবাকের, ইউএসএআইডির এশিয়া বিষয়ক ব্যুরোর অ্যাসিস্ট্যান্ট অ্যাডমিনিস্ট্রেটর মাইকেল শিফার এবং ডিপার্টমেন্ট অব স্টেটের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়ার ডেপুটি অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি আফরিন আক্তার।

প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান ফজলুর রহমানের সঙ্গে এই বৈঠকে অংশ নেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ‍্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক এবং বিদ্যুৎ ও জ্বালানী প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ। এসময় পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেনও উপস্থিত ছিলেন।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে উপদেষ্টা জানান, ‘নির্বাচন এখন পেছনের ঘটনা৷ সেটা নিয়ে তারা কোনো কথা বলেনি আমরাও বলিনি। বরং সামনের দিনগুলোতে কিভাবে দুইদেশের সম্পর্ককে আরও গভীর করা যায় সেসব বিষয় নিয়েই আলোচনা হয়েছে। এই বৈঠকের মাধ্যমে বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে সম্পর্কের নতুন অধ্যায় শুরু করতে চায় যুক্তরাষ্ট্র। সেই সাথে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধি, নিরাপত্তা সহযোগিতা, শ্রম পরিবেশ উন্নয়ন ও জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় বাংলাদেশের সাথে কাজ করতে চায় দেশটি।

বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের আইসিটি ও টেলিকম প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের সফটওয়্যার রফতানি আরো বাড়ানো; বাংলাদেশের স্টার্টআপ খাতে যুক্তরাষ্ট্রের বিনিয়োগ বৃদ্ধি ও বাংলাদেশের যুবকদের জন্য যুবকদের স্মার্ট কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং বিশ্বের সাইবার নিরাপত্তায় দুই দেশ একসঙ্গে কাজ করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে।

পলক বলেন, ‘‘মূলত আমাদের সঙ্গে মার্কিন প্রতিনিধি দলের চারটি মেজর ইস্যু নিয়ে কথা হয়েছে। সাইবার নিরাপত্তা, রফতানি ও বিনিয়োগ বাড়ানো এবং যুবকদের স্মার্ট কর্মসংস্থান জেনারেট করা। তারা আগ্রহী হয়েছে। স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে বাংলাদেশের সঙ্গে থাকতে চায় যুক্তরাষ্ট্র। আমরা এসব বিষয়ে ঐক্যমত্য পোষণ করেছি। আগামী দিনে নতুন সরকারের নতুন যাত্রায় তারা আমাদের পাশে থাকবে।’

আলোচনার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘সাইবার নিরাপত্তা কোনো একটা দেশের নয় পুরো বিশ্বের ইস্যু। সাইবার নিরাপত্তা ও এআই নিয়ে সচেতনতা তৈরি করাই মূল উদ্দেশ্য। সক্ষমতা ধরে রাখা, জ্ঞান ও প্রযুক্তি পরিবর্তন করার বিষয়ে একমত হয়েছি। এছাড়া দুদেশের মধ্যে কাজের সম্পর্ক ধরে রাখার চেষ্টা করছি। আমাদের কম্পিউটার ইনসিডেন্স রেসপন্স টিম, তাদের কম্পিউটার ইনসিডেন্স রেসপন্স টিম নিয়ে কীভাবে আনুষ্ঠানিক চুক্তিতে আসা যায় সে বিষয়ে আলাপ করেছি।’